হস্ত-মৈ-থুন করার কারনে যে পাঁচ শারীরিক উপকারিতা!

সারা বিশ্বের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতামত ও গবেষণা অনুযায়ী হস্ত-মৈ-থুনের ৫টি শারীরিক উপকারিতা দেখে নেওয়া যাক এক নজরে। হস্ত-মৈ’থুন কোনও রোগ বা অপরাধ প্রবণতা নয়, একদম স্বাভাবিক জৈবিক প্রবৃত্তি। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতামত ও গবেষণা অনুযায়ী হস্ত-মৈ-থুনের ৫টি শারীরিক উপকারিতা দেখে নেওয়া যাক এক নজরে। >> হস্ত-মৈ-থুন করার কারনে যে পাঁচ শারীরিক উপকারিতা!

 

 

 

  • নিয়মিত হস্ত-মৈ’-থুন করলে ঘুম ভাল হয়। হস্ত-মৈ-‘থুনে শরীরে শক্তিক্ষয় হয়, ফলে বী-যপা-তের পরই ক্লান্ত লাগে। চোখ যেন জুড়ে আসে। চিকিৎসকরা তাই বলেন, হস্ত-মৈ-থুন অনিদ্রার ভাল ওষুধ।
  • হস্ত-মৈ-‘থুনের সময় পেলভিক জোনে বেশি রক্ত চলাচল করতে শুরু করে। সেখানকার পেশিগুলি সঞ্চালিত হয়। এটা শরীরের পক্ষে ভাল।
  • নিয়মিত হস্ত-মৈ-থুন করলে বিছানায় বেশিক্ষণ টিকে থাকা যায়। কারণ, হস্ত-মৈ-থুনের সময় পুরুষরা বুঝতে পারে কতক্ষণে বী-র্য-পাত হচ্ছে। সেই মতো স্টার্ট-স্টপ পদ্ধতি ব্যবহার করে বা স্কুই’জ পদ্ধতি অবলম্বন করে বী-র্য-পাতে বিলম্ব ঘটানো সম্ভব। বিলম্বিত বী’-র্য-পাত আদতে মিলন সময় বিছানায় বেশিক্ষণ টিকে থাকতে সাহায্য করে।
  • হস্ত-মৈ-থুন করলে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ে। হস্ত-মৈ-থুনের সময় শরীরে ডিএইচইএ নামে একটি হরমোনের ক্ষরণ হয়। এই হরমোনটি রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শরীরকে গড়ে তোলে। পাশাপাশি, হস্ত-মৈ-থুনের সময় টেস্টো-স্টেরন হর-মোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এর ফলে শরীরের হাড় ও মাংসপেশি সবল হয়।
  •  অবসাদ দূর করতে হস্ত-মৈ-থুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। আজকালকার জটিল জীবনযাত্রায় অবসাদ থাকবেই। যদি মনে হয়, অবসাদের কারণে শরীর ম্যাজম্যাজ করছে বা মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে আছে, তা হলে অবশ্যই হস্ত-মৈ-থুন করুন। ফুরফুরে লাগবে। এর কারণ এন্ডোরফিন্স নামে একটি হরমোনের ক্ষরণ।

সুতরাং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হল, হস্ত-মৈ-থুন করুন। নিয়মিত করুন। এতে শরীরের কোনও ক্ষতি নেই। শুধু অবিবাহিত নয়, বিবাহিতরাও হস্ত-মৈ-থুন করতে পারে।

এডমিনের মতামত- তবে শুধু ডাক্টার বা শরীরের কথা শুনলেই হবে নিজ নিজ ধর্মিয় বিষয় জানাটাও জরুরী বলে মনে করি।

2 thoughts on “হস্ত-মৈ-থুন করার কারনে যে পাঁচ শারীরিক উপকারিতা!”

  1. আমি শুয়ে কোলবালিশের সাথে ঘর্ষণ করে উত্তেজনা সৃিষ্ট করে বীর্যপাত করি।এটাকে কি হস্তমেথুনের মত সাধারণ বা প্রচলিত নিয়ম বলা হবে,নাকি আমার এটা থেকে তারচেয়ে বেশি ক্ষতির আশংকা আছে?

    Reply

Leave a Comment