নারীর স্তনের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা? অজানা ১০টি কারণ

মেয়েদের স্তনের প্রতি কেন আকৃষ্ট হয় না এমন পুরুষ পাওয়া কঠিন। আসলে একজর পুরুষ সবসময় সুন্দর চেহারা এবং স্তনের আকৃতি সুন্দর এমন মেয়েদের এমন পুরুষ পাওয়া খুঁজে কঠিন,  নারী শরীর হাজারো রহস্য লুকিয়ে আছে নারীঅঙ্গে। রমনীর স্তন গড়নের প্রতি আকৃষ্ট হননি, এমন পুরুষ পাওয়া কঠিন। আর শুধু পুরুষদের কথাই বা বলছি কেন, মহিলাদেরও নিজেদের স্তন নিয়ে গর্বের শেষ নেই।

 নারিরাও তাদের স্তনের প্রতি সচেতন হয়।  স্তনের আকৃতি, গঠন নিয়ে ভাবনার শেষ নেই তাদের। অধোবস্ত্র (ব্রা) পরার আগে হাজার বার ভাবেন হন বেশিরভাগ রমনি। কিন্তু আপনি কি জানেন, রমনীর স্তনের প্রতি পুরুষদের এত আকর্ষণের কারণ কী? Huffington পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন যা এখানে শেয়ার করা হল।।


‘নারীর স্তনের – রমনীর স্তনের প্রতি কেন আকৃষ্ট পুরুষরা’ পড়ুন তেমনই  ১০টি কারণ:- 

  • শুরুতে এক সুন্দরী রমনীর স্তন দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হয় যা সৃষ্টিকর্তার অপুর্ব সৃষ্টি, দৃষ্টিনন্দন হয়। আকৃতি বা সাইজ যেরকমই হোক। তাই  রমনীর স্তন এর সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষরা আকৃষ্ট হবেন এটাই সাভাবিক। এক জন রমনীর স্তন তার ব্যক্তিত্ব ও রমনীর সৌন্দর্য হাজার গুন বৃদ্ধি করে যা সাবইকে মানতে হবে। যদিও শুনতে খারাপ লাগছে তারপরও বলে হয়, পুরুষরা তার বিপরিত লিঙ্গের শরীরের যে অংশে চোখ সবার আগে যায়, তা হল একজন রমনীর স্তন

  •  একজন নারীকে তার নারিত্ব দান করে তার স্তন। একজন পুরুষের বক্ষযুগলে না আছে কোন বিভাজিকা আছে কোন ভাজ পুরুষের শারীরিক গঠন হয় সোজাসাপটা। অন্যদিকে, রমনীদের শরীরের বক্ষযুগলে বিভক্ত করা রয়েছে তাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও একজন রমনীর সৌন্দর্য তাঁদের বক্ষযুগলেই। ওই বক্ষযুগলে বক্ররেখাই হল নারীত্বের প্রতীক,  এটাই তাদের গর্ব এবং অহংকারও। আর সে কারণেই ডাকসাইটে হলি থেকে টলি অভিনেত্রীরাও স্তনের সাইজ নিয়ে সচেতনতার শেষ নেই। প্রয়োজনে স্তনের আকার বাড়াতে ছুরি-কাঁচি চালাতেও দ্বিধা করেন না তাঁরা।

আরও পড়ুন ঃ- পায়ের বা হাতের নখকুনির যন্ত্রনায় ভুগছেন?

  • যুগ যুগ ধরে কোমল নারীদেহের বা রমনীর সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষরা আকৃষ্ট হয়েছেন। বিশেষজ্ঞ মতে যে মহিলাদের স্তন‘এর সুন্দর গঠন, বড় ও ভরাট, তাঁদের দেখে পুরুষদের মনে কাম-নার ফুলকি জোয়ার ওঠে । আর এটার পিছনে মানসিক কারন তাই বেশি শারীরীকের থেকে। ওই যে প্রথমেই বললাম, পুষ্ট ও সন্তান ধারনের সক্ষম রমনীরদের স্তনযুগল দেখতে আর্কশনিয় হয়।, এই ধারণা অতীত থেকেই পুরুষদের মনে বাসা বেধে রয়েছে। তাই যে সমস্ত রমনীর স্তন সুন্দর হয় যেহেতু রমনীর সৌন্দর্য  প্রকাশ পায় সেখানেই তাই তাঁদের জীবন সঙ্গী হিসাবে পেতে পুরুষরা অগ্রাধিকার দেন ।

 

  • নারী পুরুষের শারীরীক গঠনে অনেক ব্যবধান আর সেখােই দুই বিপরীত লিঙ্গের পার্থক্য। সব পার্থক্য সাধারণত বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। সেক্ষেত্রে মহিলাদের বক্ষের উচু নিচু আকারেই শুধু মাত্র বাইরে থেকেই খানিকটা আন্দাচ করা যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। পুরুষদের মনে কামনার আগুন জ্বলতে শুরু করে। পোশাকি ভাষায় একে বলে ‘Visual stimulation’। উদাহরণস্বরুপ রমনীর স্তন সাইজ দেখেই পুরুষদের কামোত্তেজনা জাগতে শুরু করে দেয়।

 

  • নারীশরীরের আনন্দ ভরপুর কক্ষে প্রবেশপথের দরজা হল নানীর স্তন। কামভাব তৈরী করতেই মুল পুরুষেরা রমনীর স্তন নিয়ে খেলা করে । সেখান থেকেই কামনা বাসনার সূত্রপাত হয় একটু পরেই সেই কামনার জল ভিজিয়ে দেশ সারা শরীর। হরমোনাল অ্যাকটিভিটি একাধাক্কায় বেড়ে যায় অনেকটাই।

 

  • বিশেষজ্ঞ মতে পূর্ণ মিলনের আগে ‘ফোরপ্লে’ প্রস্তুতির জন্য রমনীর স্তন এর কোন জুরি নেই । চুরান্ত মিলনের আগে স্তন ছাড়া প্রস্তুতির বা For Play এর জন্য  অধিকাংশ পুরুষই অন্য কোন উপায় জানে না।  রমনীর স্তন নিয়ে খেলা করতে ভালবাসেন রতিক্রিয়ায় পারদর্শী পুরুষরা।

 

  •  নারীঅঙ্গ ছুঁয়ে দেখতে খুব পছন্দ করেন  পুরুষরা  কারন একটাই সেটা  রমনীর স্তন । বিশেষজ্ঞরা একটি বিশেষ স্বভাবের কথা তুলে ধরেছেন যে প্রেমিকা পুরুষ বা স্বামী ভালোবেসে যত্ন্যসহকারে তার পাটনারের স্তনে হাত দিয়ে দেখেন সেই পুরুষদের দায়িত্বশীল বলে মনে করেন অধিকাংশ মহিলাই।

 

  • রমনীর স্তনযুগল হল নারী শরীরের অন্যতম লুক্কায়িত। যে মুহূর্তে পুরুষদের চোখ রমনীর স্তন দিকে যায়, তখন থেকেই তাঁরা কামো’ত্তেজক চিন্তাভাবনা শুরু করে দেন। মহিলাদের পোশাকের নিচে উদ্ধত স্তনের আসল আকৃতি সম্পর্কে জানতে ও ভাবতে শুরু করেন।। যতক্ষণ না সেই রমনীর স্তন সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে না পারেন। একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক পুরুষ ততক্ষণ পর্যন্ত  সেই চিন্তা মাথায় রেখে দেণ।

 

  • রমনীর স্তনযুগলে ছোট পোশাক পড়া বা সাহসী পোশাক পরিহীত নারিদের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন পুরুষরা। তাই বলে এই নয় যে রমনীর স্তন কেই শুধু ভালোবাসেন পুরুষরা তা নয় রমনীর সৌন্দর্য প্রকাশ পায় তার পুরো শরীরর যুরে তাই বলাই যায় যে গোটা শরীরটাকেই ভালবাসেন পুরুষরা।

 

  •  এছাড়াও আরও অনেক কারণে পুরুষরা রমনীর স্তন’নের মধ্যে শান্তির খুঁজে পান। দিনভর কাজ, ডিপ্রেশন, চাপ, টেনশনের পর স্তনে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে ভালবাসেন। গবেষণা জানা যায়, যেই পুরুষ সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বাড়িতে এসে তার সহধর্মনীর পাশে বসে এবং তার নারী শরীর (রমনীর স্তন) মাথা রেখে ১৫ খেকে ২০ মিনিট শুয়ে থাকেন তারা বেশি দিন বাচেন। শারীরীর মানসিক ভাবে তারা সুস্থ থাকেন।

আরও পড়ুন ঃ- নিজেকে বা সঙ্গীকে যৌনরুগী বা দুর্বল ভাবেন তাহলে দেখুন।

Leave a Comment