গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন কিভাবে?

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন কিভাবে?

 

‘প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো বুঝেই ফেলেছেন আজ আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে আনেকেই আছেন গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন কিভাবে? এটা যানেন না ‘। ‘এটাই সাভাবিক একটা সময় আমরা কেউ জানতাম না কিন্ত ইন্টারনেটের দৌলতে’  বা ট্রেনিং সেন্টার গুলোর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেনেছি গ্রাফিক ডিজাইন কি ?, ‘আজকের এই  আলোচনায় প্রতিটা কলামে আমার ব্যক্তিগত কিছু মতামত পাবেন আশা করি বিরক্তবোধ না করে পুড়ো পোস্টি ভালো ভাবে পড়বেন’। যাই হোক আর কথা না বলে এবার মূল আলোচনায় যাই ।

‘বর্তমান সময়ে সব ধরণের সংস্থা যেমন ওয়েব ডিজাইনিং সংস্থা, বিজ্ঞাপন এবং বিপণন সংস্থা, গেম ডেভেলপমেন্ট সংস্থা, অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট এবং আরও অনেক জাতীয় ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির একজন গ্রাফিক ডিজাইনার প্রয়োজন হয়’। সেই তুলনায় ‘গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের কোর্সে কেরিয়ারে তৈরী প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম লোক’ বা ‘শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবেন’। ফলস্বরূপ, এই ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষের চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই লাইনে পাওয়া চাকরির বেতন বেশি দেওয়া হয়। সুতরাং, যদি আপনি এই জাতীয় পেশাদার কোর্স নিতেপারেন তবে আপনি ভবিষ্যতে ভাল বেতন দিয়ে একটি চাকরী পেতে পারেন, এবং আমাকে বললে আমিও আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স বা ডিগ্রি করার পরামর্শ দেব।

গ্রাফিক ডিজাইন কি ?  

গ্রাফিক্সডিজাইন বলতে কি বুঝায়?

‘গ্রাফিক ডিজাইন’ একটি  শিল্প  বা শিল্পীর আইডিয়া। এখানে একজন শিল্পী গ্রাহকদের কাছে তার কল্পনা, তথ্য এবং ধারণাগুলি যোগা করে কম্পিউটার সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল আইডিয়া তৈরি করে। গ্রাফিক্স শব্দটি জার্মান শব্দ থেকে এসেছে। এক কথায়, অঙ্কন করা বা একটি নকশা তৈরি করাকেই গ্রাফিক ডিজাইন বলে। এটি একটি জনপ্রিয় এবং সৃজনশীল প্রক্রিয়া যেখানে আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে একটি পেশায় পরিণত করতে পারেন। আপনার নিজস্ব ধারণা, কাজের দক্ষতা দ্বারা কিছু অনন্য ডিজাইন করে , কিছু সহজ এবং গোপন টিপস কম চেষ্টা করে আপনার পেশার মূল্য দ্বিগুণ করতে পারে। 

 প্রথমত গ্রাফিক্স ডিজাইন ২টা ভাগে বিভক্ত
১। স্টিল ইমেজ গ্রাফিক্স (Still image graphics )
২। মোশান গ্রাফিক্স (Motion graphics )

স্টিল ইমেজ গ্রাফিক্স (Still image graphics )  আবার ৩ প্রকার যেমনঃ-
১। Raster image (pixel basis)–  রাস্টার ইমেজ (পিক্সেল বেসিস) –
২। Vector image (pixel independent) – ভেক্টর ইমেজ(পিক্সেল ইন্ডিপেন্ডেন্ট)
৩। Typography –  টাইপোগ্রাফি (২রকমের হয়ে থাকে)

মোশান গ্রাফিক্স (Motion graphics ) আবার ২ প্রকার যেমনঃ-
১।  Animation graphics – এনিমেশান গ্রাফিক্স
২।  Video graphics  -ভিডিও গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স ডিজাইনের ভবিষ্যৎ  

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বর্তমান চাহিদা 

বর্তমান সমায়ে প্রতিটি সংস্থার জন্য এখন ফটো এডিটিং, লোগো ডিজাইন, পণ্য নকশা, ওয়েবসাইট ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন সহ আরও অনেক গ্রাফিকাল কাজ রয়েছে। সুতরাং প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনার একটি বিশেষ “রোল মডেল” হিসাবে পরিচিত। বর্তমান বাজারের সর্বোপরি,ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে সর্বাধিক চাহিদাযুক্ত পেশা হ’ল গ্রাফিক্স ডিজাইন। আমরা ‘গ্রাফিক ডিজাইনার’দের বর্তমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতে গ্রাফিক ডিজাইনারদের  চাহিদা কী ধারণ করবে সে সম্পর্কে কমপক্ষে কিছুটা অনুমান করতে পারি। এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলার আগে,  একটি বিষয় লক্ষণীয় তা হল আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে আইটি উদ্যোক্তার সংখ্যা কয়েক গুন বেড়েছে। গত কয়েক বছরে, হাজার হাজার আইটি উদ্যোক্তা আমাদের দেশে তৈরি হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকে ছিলেন গ্রাফিক ডিজাইনার। গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার পরে, অনেক তরুণ তাদের নিজস্ব এজেন্সি স্থাপন করেছে এবং পরিষেবা সরবরাহ করছে। এই খাতের উদ্যোক্তারা আশা করছেন ভবিষ্যতে গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা কয়েকগুণ বাড়বে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন অনলাইন আয়

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

‘অনেকের মনে এটকা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়’ গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে কত টাকা উপার্জন করতে পারব?
তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই- শুরুর দিকে একজন দক্ষ ‘গ্রাফিক ডিজাইনার’ সহজেই কোনও স্থানীয় সংস্থার সাথে কাজ করে প্রতি মাসে 10-20 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে আয়ের পরিবর্তিত হয়, উদাহরণস্বরূপ, একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক ডিজাইনার সহজেই মাসে 50 হাজার থেকে 1 লাখ টাকা উপার্জন করতে পারেন। এরপর যদি তিনি একই সাথে দেশে এবং বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করতে পারেন তাহলে মাসে 6-7 লাখ টাকা অনায়াসে উপার্জন করতে পারবেন।

Read more