গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন কিভাবে?

 

‘প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা হয়তো বুঝেই ফেলেছেন আজ আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে আনেকেই আছেন গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন কিভাবে? এটা যানেন না ‘। ‘এটাই সাভাবিক একটা সময় আমরা কেউ জানতাম না কিন্ত ইন্টারনেটের দৌলতে’  বা ট্রেনিং সেন্টার গুলোর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেনেছি গ্রাফিক ডিজাইন কি ?, ‘আজকের এই  আলোচনায় প্রতিটা কলামে আমার ব্যক্তিগত কিছু মতামত পাবেন আশা করি বিরক্তবোধ না করে পুড়ো পোস্টি ভালো ভাবে পড়বেন’। যাই হোক আর কথা না বলে এবার মূল আলোচনায় যাই ।

‘বর্তমান সময়ে সব ধরণের সংস্থা যেমন ওয়েব ডিজাইনিং সংস্থা, বিজ্ঞাপন এবং বিপণন সংস্থা, গেম ডেভেলপমেন্ট সংস্থা, অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপমেন্ট এবং আরও অনেক জাতীয় ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির একজন গ্রাফিক ডিজাইনার প্রয়োজন হয়’। সেই তুলনায় ‘গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের কোর্সে কেরিয়ারে তৈরী প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম লোক’ বা ‘শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবেন’। ফলস্বরূপ, এই ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষের চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই লাইনে পাওয়া চাকরির বেতন বেশি দেওয়া হয়। সুতরাং, যদি আপনি এই জাতীয় পেশাদার কোর্স নিতেপারেন তবে আপনি ভবিষ্যতে ভাল বেতন দিয়ে একটি চাকরী পেতে পারেন, এবং আমাকে বললে আমিও আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স বা ডিগ্রি করার পরামর্শ দেব।

গ্রাফিক ডিজাইন কি ?  

গ্রাফিক্সডিজাইন বলতে কি বুঝায়?

‘গ্রাফিক ডিজাইন’ একটি  শিল্প  বা শিল্পীর আইডিয়া। এখানে একজন শিল্পী গ্রাহকদের কাছে তার কল্পনা, তথ্য এবং ধারণাগুলি যোগা করে কম্পিউটার সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল আইডিয়া তৈরি করে। গ্রাফিক্স শব্দটি জার্মান শব্দ থেকে এসেছে। এক কথায়, অঙ্কন করা বা একটি নকশা তৈরি করাকেই গ্রাফিক ডিজাইন বলে। এটি একটি জনপ্রিয় এবং সৃজনশীল প্রক্রিয়া যেখানে আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে একটি পেশায় পরিণত করতে পারেন। আপনার নিজস্ব ধারণা, কাজের দক্ষতা দ্বারা কিছু অনন্য ডিজাইন করে , কিছু সহজ এবং গোপন টিপস কম চেষ্টা করে আপনার পেশার মূল্য দ্বিগুণ করতে পারে। 

 প্রথমত গ্রাফিক্স ডিজাইন ২টা ভাগে বিভক্ত
১। স্টিল ইমেজ গ্রাফিক্স (Still image graphics )
২। মোশান গ্রাফিক্স (Motion graphics )

স্টিল ইমেজ গ্রাফিক্স (Still image graphics )  আবার ৩ প্রকার যেমনঃ-
১। Raster image (pixel basis)–  রাস্টার ইমেজ (পিক্সেল বেসিস) –
২। Vector image (pixel independent) – ভেক্টর ইমেজ(পিক্সেল ইন্ডিপেন্ডেন্ট)
৩। Typography –  টাইপোগ্রাফি (২রকমের হয়ে থাকে)

মোশান গ্রাফিক্স (Motion graphics ) আবার ২ প্রকার যেমনঃ-
১।  Animation graphics – এনিমেশান গ্রাফিক্স
২।  Video graphics  -ভিডিও গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স ডিজাইনের ভবিষ্যৎ  

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বর্তমান চাহিদা 

বর্তমান সমায়ে প্রতিটি সংস্থার জন্য এখন ফটো এডিটিং, লোগো ডিজাইন, পণ্য নকশা, ওয়েবসাইট ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন সহ আরও অনেক গ্রাফিকাল কাজ রয়েছে। সুতরাং প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনার একটি বিশেষ “রোল মডেল” হিসাবে পরিচিত। বর্তমান বাজারের সর্বোপরি,ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে সর্বাধিক চাহিদাযুক্ত পেশা হ’ল গ্রাফিক্স ডিজাইন। আমরা ‘গ্রাফিক ডিজাইনার’দের বর্তমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতে গ্রাফিক ডিজাইনারদের  চাহিদা কী ধারণ করবে সে সম্পর্কে কমপক্ষে কিছুটা অনুমান করতে পারি। এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলার আগে,  একটি বিষয় লক্ষণীয় তা হল আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে আইটি উদ্যোক্তার সংখ্যা কয়েক গুন বেড়েছে। গত কয়েক বছরে, হাজার হাজার আইটি উদ্যোক্তা আমাদের দেশে তৈরি হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকে ছিলেন গ্রাফিক ডিজাইনার। গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার পরে, অনেক তরুণ তাদের নিজস্ব এজেন্সি স্থাপন করেছে এবং পরিষেবা সরবরাহ করছে। এই খাতের উদ্যোক্তারা আশা করছেন ভবিষ্যতে গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা কয়েকগুণ বাড়বে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন অনলাইন আয়

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

‘অনেকের মনে এটকা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়’ গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে কত টাকা উপার্জন করতে পারব?
তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই- শুরুর দিকে একজন দক্ষ ‘গ্রাফিক ডিজাইনার’ সহজেই কোনও স্থানীয় সংস্থার সাথে কাজ করে প্রতি মাসে 10-20 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে আয়ের পরিবর্তিত হয়, উদাহরণস্বরূপ, একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক ডিজাইনার সহজেই মাসে 50 হাজার থেকে 1 লাখ টাকা উপার্জন করতে পারেন। এরপর যদি তিনি একই সাথে দেশে এবং বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করতে পারেন তাহলে মাসে 6-7 লাখ টাকা অনায়াসে উপার্জন করতে পারবেন।

গ্রাফিক্সডিজাইন গাইডলাইন 

‘গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ফ্রিল্যান্সিং’ করতে চাচ্ছেন তো তাহলে শুনুন হয়তবা কারো কাছে শুনে  গ্রাফিক্স ডিজাইন  ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহী  হয়েছেন। এখন আপনি যদি ভাবেন আপনি এক দুই মাসের মধ্যে কিছু শিখে নিয়ে এবং ‘অনলাইনে অর্থোপার্জন’ শুরু করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, রাতারাতি কিছু করা সম্ভব নয়, দক্ষতা বিকাশের জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে। আপনার মূল লক্ষ্য হতে হবে কিছু শেখা উচিত, তবে আপনি শিখতে পারেন। আপনার ‘অর্থ উপার্জনের চাপ’ থাকলে আপনি পারবেন না। আপনাকে ধরে নিতে হবে যে আপনি সর্বনিম্ন 6 মাস থেকে 1 বছর পর্যন্ত কাজ করতে হতে শুধু শেখার জন্য। তারপরে আপনি সেই দক্ষতা অর্থোপার্জনের মাধ্যমে পরিণত করতে পারেন। তবে আপনার শেখার শেষ নেই। প্রতিবার নতুন কিছু শিখতে হবে, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

‘গ্রাফিক্সডিজাইন ফ্রিল্যান্সিং’

গ্রাফিক ডিজাইন শেখার মাধ্যমে আপনি সহজেই আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করে আয়ের আরেকটি উৎস তৈরি করতে পারেন। বর্তমান যুগে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ এখন আন্তর্জাতিক বাজারে ‘গ্রাফিক্স ডিজাইন’ করে খুব ‘ভাল ইনকাম’ করছে। তবে ‘আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস’ গুলির কাজ করতে চাইলে দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনের পাশাপাশি ভাল ইংরেজি দক্ষতা থাকতে হবে। ‘আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস’গুলির মধ্যে একটি হ’ল: Envato Studio, Freelancer, 99Designs, Dribble, Behance, Fiverr, Upwork, ইত্যাদি ।

‘গ্রাফিক্সডিজাইন কিভাবে শিখব’

 

‘গ্রাফিক ডিজাইন অনলাইন বিশ্বের অন্যতম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সংস্থান মানুষ ক্রমাগত এটির জন্য প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। দিন দিন চাহিদা বাড়ছে’। তাই আপনিও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ‘গ্রাফিক ডিজাইন শিখিয়ে’ বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এটি এমন একটি কাজ যেখানে আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি চাইলে নিজেকে একজন ভাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিকাশ করতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

‘আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন শেখার আগ্রহী হন তবে আপনাকে প্রথমে ডিজাইনের জন্য কি কি সফ্টওয়্যারটি প্রয়োজন হয় তা জানতে হবে। প্রথমে বাড়িতে software এর প্রাথমিক ব্যবহার জানা ভাল’। কারণ আপনি কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পরে 40-50 ক্লাসের মাধ্যমে বেসিক থেকে শেখাটা প্রায় অসম্ভব, এতে আপনি 2-3 ক্লাসের পরে আগ্রহ হারাতে পারেন। এখন ‘গ্রাফিক ডিজাইন’ শেখানোর জন্য দেশে হাজার হাজার আইটি ইনস্টিটিউট রয়েছে তাদের থেকে শিখতে পারেন। তবে আপনি কোথাও ভর্তি হওয়ার আগে তাদের সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিয়ে পরে ভর্তি হতে পাবেন। কেবল তাদের বিজ্ঞাপন বা ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। আমার পরামর্শ হ’ল আপনি যে কোনও প্রতিষ্ঠানে শেখার আগে ইউটিউব থেকে ডিজাইনার বেসিকগুলি শিখুন, বা ডিভিডি কোর্স গ্রহণ করুন। প্রিমিয়াম ডিভিডিগুলি ইউটিউবের চেয়ে ভাল হবে কারণ ডিভিডিগুলি ভিডিও সিরিজের ফর্ম্যাটে পাওয়া যায় এবং দামটিও সাশ্রয়ী। ডিভিডি থেকে আপনি বেসিক থেকে পেশাদার স্তরের দিকনির্দেশগুলি পাবেন, পাশাপাশি আপনি যে কোনও সময় অনলাইন থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন। তবে আপনি যদি ইউটিউবে কিছুটা সময় ব্যয় করেন তবে বুঝতে পারবেন ‘গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে’ আপনাকে কতদূর যেতে হবে।

‘গ্রাফিক্সডিজাইন কি কি শেখানোহয় ‘?

‘গ্রাফিক্সডিজাইন শিখে কি করাযায়’?

১. ‘বিজনেস কার্ড ডিজাইন’
২. ‘প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন’
৩. ‘ইমেজ রিসাইজ এন্ড এডিটিং’
৪. ‘স্কেচ তৈরি’
৫. ‘ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি তৈরি’
৬. ‘ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন’
৭. বিভিন্ন ‘পিএসডি ইমেজকে ভেক্টরে কনভার্ট’ করা
৮. ‘লোগো ডিজাইন’
৯. ‘ফটো রিটাচিং’
১০. ‘স্টিকার ডিজাইন’ ইত্যাদি

 

‘গ্রাফিক ডিজাইন সফটওয়্যার’

গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে হলে প্রথমে আপনাকে যেই সফ্টওয়্যার গুলো প্রয়োজন হবে তা হলোঃ- ১। Adobe Photoshop ২। Adobe Illustrator (Ai) ৩। Indesign(Id) ৪। AdobeXD(Xd) ৫। Figma ৬। Premier Pro(Pr) ৭। After Effect (Ae)

‘গ্রাফিক ডিজাইনের ৭ টি কার্যকরী টুলসের ব্যবহার’ 

এবার যেনে এই সফ্টওয়্যার কিভাবে কাজ করে এবং কোন সফ্টওয়্যার এর কি কাজ –

‘গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স’ শুরু এখান থেকে,

 

১। Adobe Photoshop (Ps)

Adobe Photoshop ”গ্রাফিক ডিজাইনের বিশ্বে একটি সুপরিচিত সফ্টওয়্যার’। গ্রাফিকের কাজ করে কিন্তু Adobe Photoshop ব্যবহার করে এ,ন মানুষ পাওয়া যাবে না কারণ যারা গ্রাফিকাল কাজ করেন তাদের মধ্যে ফটোশপ অন্যতম সফ্টওয়্যার। ‘গ্রাফিক ডিজাইনা’র হিসাবে আপনার ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে আপনাকে ফটোশপ ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনাকে একটি পুরানো ফটো পুনর্নির্মাণ করতে Adobe Photoshop প্রয়োজন পরবে, ছবির রঙ পরিবর্তন করতে Adobe Photoshop প্রয়োজন পরবে, এছাড়াও Adobe Photoshop এর সাহায্যে আপনি চিত্র, ফটো ম্যানিপুলেশন ব্যাকগ্রাউন্ট পরিবর্তন সহ অনেক কিছুতে বিভিন্ন প্রভাব যুক্ত করতে পারেন। সুতরাং আপনি ফটোশপের কয়েকটি প্রাথমিক ধারনা নিয়ে গ্রাফিক ডিজাইন শুরু করতে পারেন।  
 

২। Adobe Illustrator (Ai)

 

 

আর একটি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হ’ল Adobe Illustrator (Ai)। যখন গ্রাফিক ডিজাইনের কথা আসে তখন আপনাকে Adobe Illustrator (Ai) দিয়ে কি কি কাজ করতে হয় তা জানতে হবে। Adobe Illustrator (Ai) দিয়ে আপনি বিভিন্ন ধরণের কার্ড যেমন ভিজিটিং কার্ড, আমন্ত্রণ কার্ড (ইনভাইটেশন কার্ড), ব্যবসায়িক কার্ড (বিজনেস কার্ড), ব্যবসায়িক পোস্টার, লিফলেট, বইয়ের কভার, ব্যানার ইত্যাদি ডিজাইন করতে পারেন। আমরা প্রায়শই বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ভিডিওতে কার্টুন দেখতে পাই। আপনি সহজেই এই সমস্ত কার্টুন ডিজাইন সহ বিভিন্ন ডিজাইন Adobe Illustrator (Ai) দিয়ে করতে পারবেন।

৩। Indesign(Id)

 

 

Adobe একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হ’ল এটি এমন একটি সফ্টওয়্যার যা প্রতিটি ডিজাইন ফাংশনের জন্য আলাদা আলাদাভাবে কিছু অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরি করেছে। Indesign(Id) সফ্টওয়্যার গুলোর মধ্যে একটি। আমরা অনেকেই পেজমেকার সম্পর্কে কিছুটা জানি, তবে আমাদের অনেকেরই এটি সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। অ্যাডোব ইন্ডিজাইন (ইন) একটি অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার যা আপনাকে সমস্ত ধরণের মুদ্রণ বা প্রিন্টিং এর কাজ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ – বই, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, ই-বই বা যে কোনও লেখার কাজ এবং এগুলি খুব সহজেই মুদ্রণ করতে পারবেন।

৪। AdobeXD (Xd)

 

 

বিভিন্ন আকর্ষণীয় ওয়েবসাইটের আমরা ওয়েবসাইট দেখি যা এর দৌলতে তৈরী হয়। শুধু তাই না? আমরা কখনও কখনও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন গুলি দেখে বেশ মুগ্ধ হয়ে যাই ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলির এই ডিজাইনগুলি কোন পেশাদার UI/UX ডিজাইনার দ্বারা সম্পন্ন হয়। ওয়েবসাইটের ইউজার ইন্টারফেস, মোবাইল অ্যাপস এবং অন্যান্য ওয়্যারফ্লেমগুলির ডিজাইন সহ প্রোটোটাইপিং কাজগুলি AdobeXD(Xd) দিয়েও করা হয়। সুতরাং আমরা বুঝতে পারি যে কেউ ইউজার ইন্টারফেস ও (UI) ডিজাইন করতে আগ্রহী তারা সহজেই Adobe Xd এবং Adobe Xd এর কার্যকারিতা ব্যবহার করে তাদের পছন্দের একটি UI/UX ডিজাইন তৈরি করতে পারে।

৫ । Figma

 

 

AdobeXD মতই Figma আপনাকে ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস ডিজাইন এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা (UI) ডিজাইন করতে পারবেন। সব মিলিয়ে আপনি যদি বেসিক গ্রাফিক জানার পরে আরও কিছু উন্নত ডিজাইন বা পেশাদার ডিজাইনের কাজ করতে চান তবে আপনি গ্রাফিক ডিজাইনের সাথে (Ul/ UX) ডিজাইনের কাজ করতে পারেন। এবং Figma হ’ল (Ul/ UX) এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর সফ্টওয়্যার যা AdobeXD চেয়ে বেশি উন্নত। কারণ Figma তে আপনি আরও অনেক বেশি টুলস, এলিমেন্ট, প্লাগইন সহ ডিজাইনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছূই পাবেন।

৬। Premier Pro(Pr)

 

 

গ্রাফিক ডিজাইনের অর্থ হলো একটি নতুন স্তরের ভিজ্যুয়ালাইজেশন তৈরি করা যা কেবলমাত্র ফটো মাধ্যমেই সম্ভব তা কিন্তু নয়। মনে করুন আপনি যদি নিজের প্রতিষ্ঠানের কোনও পণ্যের ভিডিওগ্রাফী করতে চান । তবে আপনার ক্যামেরার প্রতিটি শট নিখুঁত হবে না তা কিন্তু নয়। আপনাকে এই ভিডিওতে যুক্ত করতে হতে পারে এবং আপনাকে ভিডিও থেকে কিছু শট বাদদিতে হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, আপনি একটি দুর্দান্ত ভিডিও সম্পাদনা করতে Premier Pro(Pr) ব্যবহার করতে পারেন। আপনি Premier Pro(Pr) সফ্টওয়্যারটিতে এমন অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য এবং উপাদানও পাবেন যা ভিডিওটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সহায়তা করবে। শুধু প্রাধমিক আবস্থায় ইউটিউব ভিডিও বানাতেও আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপানরে Premier Pro(Pr) সফ্টওয়্যারটি বিষয়ে ভালো ধারনা পেয়ে যাবেন

৭। After Effect(Ae)

 

 

আপনি যদি পেশাদার মানের অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক্সের কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তবে After Effect(Ae) আপনার জন্যই ভিডিওগ্রাফি যে কেবলমাত্র Premier Pro(Pr) দিয়েই যে করতে হবে এমন টা নয়। আপনি যদি চান তবে আপনি After Effect(Ae) এর মাধ্যমে ভিডিও এডিটিংয়ের কাজটি করতে পারেন। After Effect(Ae) তে আপনি আরও কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারেন – আপনি ভিডিও সম্পাদনা, 2D, 3D ভিডিও মেকিং পণ্য বিজ্ঞাপন এবং প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন তৈরীর কাজটি খুব সাফল্যের সাথে করতে পারেন এই After Effect(Ae) সফটওয়্যারের মাধ্যমে।

‘মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন’

 

 

এবার আসি ‘মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন’ করা যায় কি না সে বিষয়ে ।
অনেকেই প্রশ্ন করেন ‘মোবাইল দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা’ যায় কি না এমন প্রশ্রের উত্তরে আমি বলতে চাই আপনি আসলে ‘মোবাইলে গ্রাফিক্স’ শিখতে পারবেন না, তবে আপনি কিছু সম্পাদনার কাজ করতে পারেন যা মোবাইলে সীমাবদ্ধ। সঠিকভাবে শিখতে আপনাকে অবশ্যই একটি কম্পিউটার নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। ধরে নেওয়া যায় গ্রাফিক্স ডিজাইন রঙের একটি খেলা। এ খেলার জন্য বা কালার দোর জন্য আপনার একটি বড় মনিটর দরকার হবে। এই কারণে, আমি মনে করি যে মোবাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার চেষ্টা না করাই ভাল। কারন এত করে আপমার ইচ্ছা শক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

‘গ্রাফিক্স ডিজাইন কি হারাম’ ?

 ‘এটি মানব জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়’। উদাহরণস্বরূপ: সংস্থার বিভিন্ন প্রয়োজনের জন্য পণ্য ‘সাইনবোর্ড’, ব্যানার, ‘বিলবোর্ড’, ‘ভিজিটিং কার্ড’, ‘বিবাহের কার্ড’, ‘ব্যবসায় কার্ড’, ‘হালখাতা কার্ড’, ‘মেমো ভাউচার’, স্কুল /কলেজ/মাদ্রাসা/ইত্যাদি গ্রাফিক করতে হবে গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য পোশাক, শাড়ি, টি-শার্ট, বইয়ের কভার ইত্যাদি ডিজাইনের প্রয়োজন হয় ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনও করতে হয় ওয়েবসাইটের লোগো, ব্যানার ইত্যাদি তৈরিতে। এভাবে একজনকে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনের অবলম্বন করতে হয়। বর্তমান সময়ে এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। সুতরাং, ইসলামী আইনের কয়েকটি নীতি অনুসারে, কোনও মেয়েকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করে গ্রাফিক ডিজাইন করতে এবং অর্থোপার্জনে কোনও বাধা নেই।

 

আজ এ পর্যন্ত কথা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে নতুন কোন পোস্টে সবার সু-সাস্থ্য  কামনা করে আজ বিদায় নিলাম।

Leave a Comment