জাল দলিল চেনার উপায়

জাল দলিল চেনার উপায়

জাল দলিল চেনার উপায় আজকে আমরা যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি তা আপনারা পোস্টের নাম শিরোনাম দেখেই বুঝতে পেরেছেন …

Read more

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো ২০২১

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো ২০২১

ইউটিউব বর্তমান সময়ে পাঁচটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলির মধ্যে একটি। বিনোদন থেকে শুরু করে কঠিন এবং জটিল জটিলতা সমাধানের সমস্ত কিছুর জন্য মানুষ এখন ইউটিউবে গিয়ে ভিডিও গুলি অনুসন্ধান করা করে থাকে। আর গুগলের নিজস্ব সার্ভার হওয়ায় ইউটিউব ভিডিওগুলি খুব সহজে খুজে পেয়ে যায়। এছাড়া ইউটিউব মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের কারণে যে কোনও মুহুর্তে ব্যবহারকারীগন দেখতে পারেন। বর্তমানে ইউটিউব বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ভিডিও ওয়েবসাইট হিসাবে গড়ে উঠেছে। তাই আমাদের আজকের পোস্ট কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো ২০২১

একটি ইউটিউব পারসোনাল অথবা ব্রান্ড অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয

আজ আমরা আলোচনা করবো একটি ইউটিউব পারসোনাল অথবা ব্রান্ড অ্যাকাউন্ট তৈরি সেই বিষয় নিয়ে। ইউটিউব অ্যাকাউন্ট তৈরি করা কোনও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি ইন্টারনেটে অথবা ইউটিউবেই গিয়ে অনুসন্ধান করেন তবে সহজেই এটির হাজার হাজার টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন।। অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ব্যক্তিদের জন্য এই পোস্টটি কোনও কাজে নাও আসতে পারে না। তবে যারা ইউটিউবে নতুন বা যাদের অ্যাকাউন্ট নেই তারা আজকের পোস্ট থেকে ইউটিউব অ্যাকাউন্ট তৈরির পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত যানতে পারবেন। তারপরেও বলব যারা পুরোপুরি অভিজ্ঞ নয় তারাও নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পেশাদারদের মত করে সাজাতে বা এই বিষয়ে কিছু জিনিস জানতে পারবেন্। আর আপপি জেনে অবাক হবেন যে এখনও অনে মানুষ আাছে যারা গুগলে গিয়ে সার্চ কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো
এই কিওয়ার্ড দিয়ে। যাই হোক আর কথা না বাড়িয়ে কাজের আলোচনায় যাওয়া যাক।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো

Android মোবাইল দিয়ে youtube চ্যানেল কিভাবে তৈরি করবেন step by step

ইউটিউব চ্যানেল খোলর জন্য মোবাইল এবং পিসি ব্যবহারকারী উভয় নিচের ধাপ সমুহ অনসরন করতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল খোল বা তৈরির পূর্বে যা যা জানা জরুরী ইউটিউব চ্যানেল খোল বা তৈরি করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে। যেমন-

১। গুগল/জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি।
২।গুগল/জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি।
৩। চ্যানেলের জন্য সুন্দর প্রোফাইল ফটো, কভার আর্ট ফটো  তৈরি।
৪। তৈরীকৃত চ্যানেল অপটিমাইজ।
৫। এবং আপনার নতুন চ্যানেলে ভিডিও আপলোড।

উপরে উল্লেখিত ধাপগুলোই মূলত একজন ইউটিউবারের কাজ। যাই ধাপগুলো আপাতত ধাপগুলো শুধু একবার দেখে নিন। নিচে এ ধাপগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

জিমেইল/গুগল অ্যাকাউন্ট খুলবো

গুগল/জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি

 ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য আপনার অবশ্যই গুগল/জিমেইল অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যক। তাই প্রথমে আমরা জানব কিভাবে একটি গুগল/জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। যদি আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে এই ধাপটি আপনি স্কিপ করতে পারেন। অ্যাকাউন্টটি খুলতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন –

ধাপ ১মঃ  গুগল gmail. com এই লিংক বা গুগলে gmail লিখে সার্চ করে প্রবেশ করুন।

ধাপ ২য়ঃ উপরের ছবির মত একটি পেজ পাবেন এখানে আপনার নাম, ইমেল/ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Next  বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৩য়ঃ এই ধাপে আপনার ফোন নম্বর এবং রিকোভারি ইমেল দিন। (রিকোভারি ইমেল হলো এমন একটি মেইল যেটা আগেই খুলেছেন বা আপনার পরিবারের কারো) আপনার অ্যাকাউন্ট নষ্ট হলে রিকোভারের জন্য রিকোভারি ইমেল দেওয়া উচিত এবং জরুরি। তবে না দিলেও সমস্য নেই এবার জন্ম তারিখ এবং জেন্ডার নির্বাচন করুন পরবর্তী ক্লিক করুন। পরের পেজে আসা প্রাইভেসি পেজ Accept করুন।

ব্যস হয়ে গেল আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট আপনি সফলভাবে গুগল অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন। এবার একটা জরুরী বিষয় হলো আপনি যেই তারিখে গুগল বা  জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুললেন তার তারিখ, মাস এবং সাল নোট করে রাখুন কারন যদি আপনার চ্যানেলটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেন তাহলে অনেক হ্যাকারের চোখে পড়ে যেতে পারে আর যদি আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ফেলে তাহলে তারিখ মাস এবং সাল এর মাধ্যমে সহজে অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে পারবেন।

কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২

কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২

আজকের আর্টিকেলে যে বিষয়ে কথা বলতে যাচ্ছি তা আপনি শিরোনাম দেখেই বুঝতে পেরেছেন তারপরও বলি আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২ এ বিষয়ে ফেশবুকের সাথে একটু পরিচিত হওয়া যাক আসুন শুরুতে ফেশবুকের ইতিহাস জানি। এটা জানা জরুরী কারন এ বিষয় গুলো সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান রাখতে হয়। এগুলো এখন বিভিন্ন চাকুরীর মৌখিক পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয় যাক সেদিকে না জাই সেটি ভিন্ন আলোজনা আচকের আলোচনায় ফেরা যাক।

ফেসবুক কী?

এমন প্রশ্ন আগে দেখা গেলেও এখন দেখা যায় না। তারপরও বলি ফেসবুক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া শুধ কি এটি তো বাংলাদেশেও সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। খুব কম মানুষ পাওয়া যাবে যাদের ফেশবুক একাউন্ট নাই। তাই আমি মনে করি ফেশবুক সম্পর্কে বলার কিছু নাই।

যে কেউ ফেসবুকে ফ্রি অ্যাকাউন্ট বা আইডি খুলতে পারবেন। আপনার বন্ধু, পরিবার এবং আত্মীয়দের সাথে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। চ্যাট, স্ট্যাটাস, ভয়েস কল, ভিডিও কলের ইত্যাদি জন্য ফেসবুকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের যোগাযোগ করতে, বার্তা প্রেরণ করতে এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্য আপডেট এবং আদান প্রদান করতে তাদের শহর, কর্মক্ষেত্র, স্কুল এবং অঞ্চল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বা গ্রুপ তৈরী করে সবাই মিলে এক সাথে যুক্ত হচ্ছে।

ফেসবুক কোন দেশের সংস্থা

ফেসবুক তৈরির ইতিহাস

ফেসবুক একটি আমেরিকান সংস্থা। যদিও এটি প্রাথমিকভাবে কোনও সংস্থা হিসাবে চালু করা হয়নি। পরে ধিরে ধিরে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ফেসবুক আবিষ্কার হয় কত সালে ?

ফেসবুকের আবিষ্কার হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মার্ক জুকারবার্গ নামের একজন ব্যক্তি আবিষ্কার করেন। ২০০৪ সালে, তিনি ফেসমাস দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আর ফেসবুক প্রতিষ্ঠার কথা ভাবুন। ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এবং তার বন্ধুরা এই ঐতিহাসিক কাজটি করে ফেলেন।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা কে ? / ফেসবুকের জনক কে ?

মার্ক জুকারবার্গ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যদিও তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তবে এর বর্তমান মালিক ফেসবুক ইনক। মার্ক জাকারবার্গ তার রুমমেট কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী এদুয়ার্দো সেভেরিন, ডাস্টিন মোসকোভিটিজ এবং ক্রিস হিউজের যৌথ প্রয়াসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফেসবুক তৈরি করেছিলেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষের পড়ার সময়, জুকারবার্গ ২৮/০৮/২০০৩ এ ফেসম্যাস নামে একটি সাইট তৈরি করেছিলেন। এটি মুলত ফেসবুকের পূর্বসূরী সাইট।

তিনি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ফেসবুক ডটকমের জন্য কোড লেখা শুরু করেছিলেন। শিগগিরই মার্ক জুকারবার্গের সাথে ডাস্টিন মোসকোভিটস (প্রোগ্রামার), ক্রিস হিউজেস এবং এডুয়ার্ডো সাভারিন (এছাড়াও ব্যবসায়িক মুখপাত্র) এবং অ্যান্ড্রু ম্যাককালাম (গ্রাফিক শিল্পী) যোগ দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনপছন্দের বাংলা অডিও গান ডাউনলোড
আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম ২৫৪ টি
ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

ফেসবুক নাম করণ

প্রতিষ্ঠার সময় ফেসবুকের ওয়েব লিঙ্কটি ছিল thefacebook . com। এটি ধীরে ধীরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ২০০৪ এর ডিসেম্বরে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ মিলিয়নে (১০ লক্ষ) পৌঁছেছিল।

ফেসবুকের নতুন নামকরণ করা হয়েছিল ২০০৫ সালে এ সময়েই বর্তমান নাম “ফেসবুক” দেওয়া হয়েছিল। 2005 সালের ডিসেম্বরে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। আর ২০০৫ অবধি এর ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন শুধু মাত্র সংস্থার কর্মী ছিলেন। তবে সেপ্টেম্বর ২০০৬ এ এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। তারপরে 3 মাসর মধ্যে ব্যবহারকারী ১ কোটি ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।

 

ফেসবুকের স্রষ্টা কে?

ফেসবুকের পিতা বা স্রষ্টা হলেন মার্ক জুকারবার্গ। তবে তিনি একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা নন। তাঁর পাশাপাশি তাঁর কয়েকজন বন্ধু এবং রুমমেটও ফেসবুক তৈরির পেছনে কাজ করেছিলেন।

আশার করি ফেশবুক বিষয়ে মোটামটি ধারনা পেয়ে গেছেন এবার চলুন যাওয়া যাক আজকের পোষ্টের মূল আলোচনায়

Read more

কিভাবে অনলাইনে জমির খতিয়ান/পর্চা পাবেন

কিভাবে অনলাইনে জমির খতিয়ান/পর্চা পাবেন

অনলাইনে জমির খতিয়ান/পর্চা

বর্তমানে এই প্রযুক্তির ডিজিটাল যুগে অনলাইনেই যেহেতু সব কিছু হচ্ছে তাহলে জমি কাগজ পত্রের জন্য মানুষ কেন এই ছুটো ছুটি করবে তাই নয় কি? এই ডিজিটাল যুগে আপনি হাতের কাছেই সব জিনিস পাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে এই যুগ মানুষকে দিন দিন অলস করে দিচ্ছে। আসলে প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ এবং আরামদায়ক করে তুলেছে। এখন ঘরে বসে আপনি যা খুশি তা করতে পারছেন। তাই আজ এই পোস্টে কিভাবে অনলাইনে জমির খতিয়ান/পর্চা পাবেন যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি তা হলো আপনাদের জমির খতিয়ান বা কাগজপত্র। এখন যে কেউ নিজ জায়গা থেকে ব্যক্তিগত বা বেসরকারী জমি কিনতে বা বিক্রি করতে চাইলে তিনি অনলাইনে মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

কিভাবে অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা পাবেন ?

 যে কোনও জমির খতিয়ান বা পর্চা এখন তাৎক্ষণিক ভাবে অনলাইনে পাওয়া যাবে। জমির মালিকানা যাচাইকরণ বা অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা বা জমির কাগজ পত্র ডাউনলোড বিষয়ে লেখা আমাদের আজকের এই পো্টে আপনাকে স্বাগতম।

আজ আমরা দেখব কীভাবে ঘরে বসে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে জমির মালিকানা যাচাই বা জমির খতিয়ান অথবা পর্চা বা ‘জমির কাগজ পত্র অনলাইনে পাওয়া যায়’।

পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি আপনার বাবার নামে, আপনার দাদার নামে, আপনার নামে অথবা যে কারো নামে কত টুকু জমি আছে আপনি তা সহজে জানতে পারবেন। আশা করি আপনাকে আর কোন জামেলায় পড়তে হবে না এই পোষ্টে আপনার জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে যাবে। শুরু তে জেনে নেই –

আরও পড়ুন

 অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই ২০২১
 নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম
 দুই শব্দের মেয়ে শিশুর সুন্দর নাম

খতিয়ান কী?

উত্তর: যে কাগজে জমির সমস্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। খতিয়ান একটি আরবি শব্দ।

জমির পর্চার ছবি

বিস্তারিত বলতে গেলে বলতে হয় জমির মালিকানা সম্পর্কে জমি জরিপের সময় যে বিবরণ বা কাগজ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলা হয়। “খতিয়ান” মৌজার উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়। আমাদের দেশে  সিএস, আরএস, এস.এ এবং বিএস, বা সিটি জরিপ এখন পর্যন্ত রয়েছে। এই জরিপ গুলো শেষে জমির মালিকের তথ্য প্রস্তুত করা হয়েছিল যা “খতিয়ান” নামে পরিচিত। যেমনঃ BS খতিয়ান, SA খতিয়ান, CS খতিয়ান, RS খতিয়ান।

খতিয়ান কত প্রকার কি কি?

জমির খতিয়ান তথ্য

১। ‘সি. এস খতিয়ান’ – ‘সি. এস জরিপ’ – ‘Cadestral survey’
২। ‘এস. এ. খতিয়ান’ – ‘এস. এ. জরিপ’ – ‘State Acquisition Survey’
৩। ‘আর. এস. খতিয়ান’ – ‘আর. এস জরিপ’ – ‘Revisional Survey’
৪। ‘বি.এস খতিয়ান’ – ‘বি. এস. জরিপ’ – ‘Bangladesh Survey’

সি. এস. খতিয়ান বা সি. এস জরিপ বা ‘Cadestral survey’ কি ?

ব্রিটিশ সরকারের তত্ত্বাবধানে ১৮৮০ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত বাংলায় একটি ভুমি জরিপ চালানো হয়েছিল। সমীক্ষায় বলা হয়েছে জরিপটি কক্সবাজারের রামু থানা থেকে শুরু করে দিনাজপুরে শেষ করা হয়েছিল। যদিও বর্তমান পর্যন্ত প্রথম এই জরিপটিকে নির্ভুল হিসাবে বিবেচিত হয়। এই জরিপের মাধ্যমে তৈরি ‘সিএস ম্যাপ বা সি.এস নকশা’ । এবং উক্ত জরিপ হেতে তৈরী খতিয়ানকে সি.এস. খতিয়ান বলা হয়। অনেকে আবার এই খতিয়ানকে  ব্রিটিশ খতিয়ান বা চল্লিশের খতিয়ান বলে। এখনও এই খতিয়ানকে মামলা মোকদ্দমা বা বিরোধ নিষ্পত্তি করার ভিত্তি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। সুতারাং সি.এস খতিয়ান বা নকশা এখনও বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসাবে স্বীকৃত। আপনি যদি সি.এস খতিয়ান চেব বা ডাউনলোড করতে চান তাহলে পোস্ট শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

Read more

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

বাংলাদেশের সকল নাগরিকে এদেশের নাগরিক হিসাবে প্রমান করা জন্য এক মাধ্যম হল পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড যা সংক্ষেপে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি নামে পরিচিত। এটি দেশের অভ্যন্তরে নিজের পরিচয় প্রমাণ করার প্রধান মাধ্যম। একজন মানুষের ১৮ বছর বয়স পূর্ন হওয়ার সাথে সাথে আইডি কার্ড জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম অন্তরভুক্ত করা নিয়ম রয়েছে। শুধু তাই না বাংলাদেশে সবার জন্য ভোটার আইডি থাকা বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সরকার।

সুতরাং ভোটারদের মধ্যে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক। আর এই আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র ইলেকশন কমিশন বাংলাদেশ কার্ড ইস্যু করা সহ সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। নতুন ভোটার কীভাবে হবে বা ভোটার হতে কী লাগে বা এনআইডি পাওয়ার প্রক্রিয়া কী তা নিয়ে আজকে আমাদের এই পোস্টটিতে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আমি আশা করি আপনারা সম্পুর্ন পোস্টটি ভালো ভাবে পড়লে আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

নতুন ভোটার নিবন্ধনের নিয়ম

নতুনভোটারনিবন্ধন ২০২১সময়সূচী

নতুন ভোটার সাধারণত তিন বছর পর পর একটি শুমারি মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে থাকে । এ সময় “নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ” এর  লোকজন ঘরে ঘরে গিয়ে নতুন ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরী নিবন্ধন করে দেয় এবং নিদিষ্ট সময় পর ইউনিয়ন ওয়ার্ডের সবাইকে এক জায়গায় করে ছবি তোলা হয়। পুরো থানা বা উপজেলার একই ভাবে সবার ছবি তোলার পরে কিছু দিনের মধ্যে ইউনিয়নের পরিষদের মাধ্যমে আইডি কার্ড বিতরন করা হয়।

বিভিন্ন কারনে আদম শুমারিতে যারা বাদ পড়ে যায়  তারাও যাতে ভোটার হতে সে কারনে অনলাইনে আবেদন করারও সুযোগ রয়েছে। তারাও অনলাইনের কোন দোকানে বা নিজেই সঠিক ভাবে আবেদন ফরম পূরণের মাধ্যমে নতুন ভোটার হতে পারবেন।  নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ প্রতি বছরের জানুয়ারি মাসের  শেষে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশ করে থাকে।

অনলাইন ভোটার নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ১৮ বছর বয়স পূর্ন হলে যে কেউ  নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে পারেন। আর ১৮ বছর বয়স হলে অবশ্যই অনলাইন ভোটার নিবন্ধন করা উচিৎ কারণ আপনি যদি সময় মতো ভোটার হতে না পারেন তবে আপনাকে পরে অনেক হয়রানি শিকার হতে হবে। এছাড়া আপনি অনেক অফিসিয়াল কাজ যেমন: জমি ক্রয় বিক্রয়, চাকুরী বাকরির আবেদন ইত্যাদি করতে পারবেন না। তাই সময় মত নতুন ভোটার নিবন্ধন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে আমি মনে করি।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২১

এখন আপনি খুব সহজেই অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন পূর্বে প্রয়োজনী কিছু কাগজ স্কান করে নিন যা আপনাকে ফরম পূরণ শেষে আপলোড করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, পিতামাতার ভোটার আইডি কার্ড, আপনার জন্ম নিবন্ধন কার্ড, সকল শিক্ষাগত সনদ, রক্তের গ্রুপ।

কারণ আপনি যদি আবেদনের সময় সঠিক তথ্য সরবরাহ না করেন তবে আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। এমনকি ভূল তথ্য দেওয়ার কারনে জরিমানাও হতে পারে। শুধু তাই না আপনি পরে ভোটার হওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারেন। সুতরাং আবেদন করার সময় সঠিক তথ্য সরবরাহ করুন।

আপনার কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকলেও আপনি আপনার হাতে স্মার্টফোনটি দিয়ে অনলাইনে ভোটার নিবন্ধন আবেদন করতে পারেন। তবে আমি মনে করি আপনি অনলাইন ফরম পূরণে নতুন হলে নিজে না করাই ভালো।

সব সময় মনে রাখবেন কোন ভাবেই আবেদন করার সময় ভূল তথ্য সরবরাহ করা যাবে না।

আরও পড়ুন

 

ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই ২০২১

ইসবগুলের ভুষি উপকারীতা ও অপকারীতা কি?

Read more

ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

আপনারা হয়ত সবাই জানেন ইউটিউবের মতো ফেসবুক এখন একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিও নির্মাতারা খুব উতৎসাহের সাথে তাদের ভিডিও গুলি ফেসবুকে আপলোড করছেন। এই ভিডিওগুলি প্রায়শই ফেসবুকে ব্রাউজ করার সময় আমাদের মন ছুঁয়ে যায়। এবং ভিডিও গুলো ডাউনলোড করে এবং ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই মোবাইল ফোনের মেমোরিতে রাখতে ইচ্ছে করে কিন্ত ডাউনলোড করা কোন অপশন না থাকা আমরা চাইলেও ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড না। তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম কিভাবে খুব সহজে ফেশবুক থেকে আপনার পছন্দে ভিডিও গুলো ডাউনলোড করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করতে।

 

আজকে এই পোস্ট থেকে আপনি আপনার যে কোন ডিভাইস দিয়ে যে মোবাইল, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে কোন প্রকার ঝামেলা ঝামেলা ছাড়াই খুব সহজেই ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন ।

ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের জন্য অফিসিয়াল ডাউনলোড সিস্টেম থাকলেও ফেসবুকের নিজস্ব ডাউনলোড সিস্টেম নেই। সুতরাং সাধারণভাবে আমরা ফেসবুক থেকে ভিডিও গুলি ডাউনলোড করতে পারি না।

আরও পড়ুনঃ

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই ২০২১ 

নতুন মুভি ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট

 

ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করার উপায়

আপনি মোট চারটি উপায় ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
১। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যম ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড।
২। মোবাইল ভার্শন ফেশবুক লিংক দিয়ে ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড।
৩। ওয়েবসাইটে লিংক প্রবেশরে মাধ্যমে  ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড।
৪। ক্রোম এক্সটেনশনের মাধ্যমে ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড।

মোবাইল দিয়ে ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড

শুরু আলোচনা করব মোবাইল অ্যাপের মাধ্যম কিভাবে  ফেশবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করবেন। যদিও ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোডের জন্য অনেকগুলি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বা ডাউনলোডার রয়েছে। কিন্ত সেগুলি মধ্যে এ্যাপেই  সমানভাবে নিরাপদ এবং কার্যকর নয়।

এক্ষেত্রে আমি  ব্যক্তিগত ভাবে FastVid নামের আন্ডোরিড অ্যাপটি আমার কাছে বেশ কার্যকর এবং নিরাপদ বলে মনে হয়েছিল। আপনি সহজেই প্লে স্টোরটিতে এই অ্যাপটি খুঁজে পেতে পারেন।

মোবাইল অ্যাপের দিয়ে ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড

FastVid ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোডার হল সবচেয়ে জনপ্রিয় FastVid   ডাউনলোডার অ্যাপ্লিকেশনটি যা বিশেষ করে ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড  করতে এবং বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে সংরক্ষণ করার জন্য তৈরী করছে অ্যাপ্লিকেশন কম্পানি, এটি দিয়ে আপনি ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে  পারছেন কোন রোকম লগইন ছাড়াই ভিডিও লিঙ্ক / URL ব্যবহার করে আপনার ডিভাইসে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

 

FastVid  ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোডারটি ১০০% সুরক্ষিত। এছাড়াও FastVid App টিতে তার নিজস্ব ব্রাউজার আছে যা ব্যবহার করে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্রাউজ করতে পারবেন। এটি আপনার গোপনীয়তা রক্ষা করে। এই পদ্ধতিতে কোনো Private গ্রুপে শেয়ার বা প্রকাশ করা ভিডিও কিংবা আপনার কোনো যদি ফ্রেন্ডের প্রাইভেসি “Friends/Friends Of Friends/Custom” করে রেখে ভিডিও পাবলিশ সেগুলোও ও ডাউনলোড করতে পারবেন। শুধু কি তাই আপনি চাইলে লাইভসহ যেকোনো প্রকার ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

FastVid  নিজস্ব ব্রাউজার ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার নিয়ম:- প্রথমে আপনার ওয়ালে লগইন করুন এবং ব্রাউজ করুন। এবার যে ভিডিও ডাউনলোড করতে চান তা ক্লিক করুন। আপনার ডিভাইসে  ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। এবার দেখুন  ডাউনলোড শুরু হয়েছে।

Read more