বাংলাদেশের আয়তন কত ১৪৬৫৭০ অথবা ১৪৯২১০

বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৬,৫৭০ বর্গকিলোমিটার (এক লাখ ৪৭ হাজার পাঁচশ সত্তর বর্গকিলোমিটার) যা প্রায় ৬৫৯৩ বর্গমাইল। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন নথিপত্রে বা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বইয়ে এই তথ্য পড়ানো হয়।

তাই কেউ যদি লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের আয়তন কত? তাহলে তার সঠিক উত্তর হলঃ বাংলাদেশের আয়তন হলো ১,৪৬,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।

এদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার জন্য সেই দেশের আয়তন জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কে আমাদের ধারণা থাকা উচিত। আপনি যদি আমার মতো বাংলাদেশের আকার সম্পর্কেও জানতে চান তাহলে ধৈর্য ধরে লেখাটি পড়তে থাকুন। আজকের নিবন্ধে আমি বাংলাদেশের আয়তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। বিভিন্ন দ্বীপে মানুষ বসবাসের উপযোগী স্থান তৈরি করায় বাংলাদেশের আয়তন দিন দিন বাড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের আয়তন কত

বাংলাদেশের আয়তন কত
বাংলাদেশের আয়তন কত

বর্তমান সময়ে অর্থাৎ ২০২২ সালে এসে বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার, কিলোমিটার, অথবা কত বর্গমাইল হলো এই সম্পর্কে ভালো ধারনা পেতে বা জানতে হলে অবশ্যই পুরো আর্টিকেলটি পড়তে হবে। এছাড়াও আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের কততম দেশ সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

চাকরির পরীক্ষা বা আপনার মনে যে কৌতূহল জেগে থাকতে পারে তা থেকে আপনি হয়তো খোঁজ শুরু করেছেন বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কে জানার যুক্তি রয়েছে। কারণ আমরা এখন কয়েক দশক ধরে একই ভলিউম পড়ছি, এবং কখনও কখনও আমরা মিয়ানমার থেকে সমুদ্র এবং ভারতের ছিটমহল বিনিময়ের কথা শুনি। তাহলে এই এলাকাগুলোও বাংলাদেশের মোট আয়তনের সঙ্গে যোগ করতে হবে।

আমাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক আর্টিকেল

বাংলাদেশের আয়তন কত ২০২২

পদ্মা ব্রহ্মপুত্র নদের ব-দ্বীপ অঞ্চলে মানব বসবাসের উপযোগী আরও ৫০টিরও বেশি দ্বীপ গজিয়ে ওঠায় বাংলাদেশের আয়তন কয়েকদিন আগের তুলনায় বেড়েছে। ২০২১ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের আয়তন ছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬১০ বর্গকিলোমিটার। কিন্তু ২০২২ সালে কিছু নতুন দ্বীপের উত্থানের সাথে সাথে এর আকার আরও বেড়েছে।

২০২২ বর্গকিলোমিটারের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের আয়তনের হিসাব। বাংলাদেশের আসল আয়তন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬১০ বর্গকিলোমিটার কিন্তু পদ্মা ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের নতুন দ্বীপগুলোর আয়তন প্রায় ১৬০০ বর্গকিলোমিটার তাহলে বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১০ বর্গকিলোমিটার। .

তবে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা অনুযায়ী বাংলাদেশের আয়তন অনেক বাড়ার কথা। কয়েক বছর আগে, বাংলাদেশ ভারত ও মায়ানমার থেকে প্রায় ২৮,৪৬৭ বর্গ কিমি এবং ৭০,০০০ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা লাভ করে। তাই আমাদের বাংলাদেশের মোট আয়তনের সঙ্গে এই সমুদ্র এলাকার আয়তন যোগ করলে বাংলাদেশের মোট আয়তন হতে পারে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৭ বর্গকিলোমিটার। এটি বাংলাদেশের আয়তনের সবচেয়ে বড় পার্থক্য করতে পারে। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের আয়তন আগের আয়তনের তুলনায় প্রায় এক লাখ বর্গকিলোমিটার বেশি বাড়বে।

বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?

১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর বিভিন্ন সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের অনেক দ্বীপের উদ্ভব হয়। বিশেষ করে, গত দুই দশকে প্রায় ৫০/৬০টি দ্বীপ গজিয়েছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, এর মোট আয়তন প্রায় ১৬০০ বর্গ কিলোমিটার।

অন্যদিকে ভারত থেকে প্রাপ্ত ছিটমহলের ক্ষেত্রফল যোগ করলে মূল আয়তন দাঁড়ায় ১,৪৬,৬১০ বর্গ কিমি। এর সাথে সদ্য জেগে ওঠা দ্বীপগুলোর আয়তন অর্থাৎ ১৬০০ বর্গ কিমি, বাংলাদেশের আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ১,৪৯,২১০ বর্গ কিমি।

যদিও ছিটমহল ও নতুন দ্বীপ/চরের উদ্ভব বাংলাদেশের আয়তনে খুব একটা পার্থক্য না করলেও বর্তমান আয়তনে সবচেয়ে বড় পার্থক্য মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়। প্রায় অর্ধ দশক আগে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে প্রায় ২৮,৪৬৭ বর্গ কিমি এবং মায়ানমার থেকে ৭০,০০০ বর্গ কিমি লাভের কারণে বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় ২,৪৭,৬৭৭ বর্গ কিমি। যা আগের আয়তনের চেয়ে প্রায় ১ লাখ বর্গকিলোমিটার বেশি।

আরও পড়ুনঃ

বাংলাদেশের মোট আয়তন কত?

যদিও বাংলাদেশের আয়তনের অতীত এবং বর্তমানের মধ্যে এই বিশাল পার্থক্য তৈরি হয়েছে, তবুও এটি এখনও স্কুল এবং কলেজের পাঠ্যপুস্তকে লেখা হচ্ছে ১,৪৬,৫৭০ বর্গকিলোমিটার (এক লাখ ৪৭ হাজার পাঁচশ সত্তর বর্গকিলোমিটার) কারণ এখন পর্যন্ত সরকারীভাবে পরিমাপ করা হয়নি।

এদিকে প্রতি বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে উপকূলীয় এলাকায় নতুন নতুন দ্বীপের সৃষ্টি ও বিলুপ্তির ফলে বাংলাদেশের বর্তমান আয়তন প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের আয়তন ঠিক কত বা বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার তা বলা মুশকিল।

আমরা আশা করি আপনি বাংলাদেশের আয়তন সম্পর্কে এবং বাংলাদেশের প্রকৃত আয়তন পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত না কারণ সম্পর্কে একটি ভাল ধারণা অর্জন করেছেন। মনে রাখবেন সাহায্যবিডি.কম ব্লগ সবসময় আপনাকে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।

এরপরও যদি কোন প্রকার বিভ্রান্তি থাকে তাহলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন। আমরা একটি উপযুক্ত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। এবং ভূল তথ্য দিয়ে থাকলে তা সংশোধন করে নিব।

বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধির কারন কি?

স্বাধীনতার ৫০ বছরে, বাংলাদেশের আয়তন এই পার্থক্য করতে বেশ কিছু নিয়ামক কাজ করেছে। যেমন উপকূলীয় এলাকায় নতুন নতুন দ্বীপের উদ্ভব, ছিটমহল বিনিময়, ভারতের সাথে সমুদ্র বিজয়, মিয়ানমারের সাথে সমুদ্র বিজয় ইত্যাদি ফলে বাংলাদেশের আয়তন প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা বন, অর্থনীতি, পর্যটন, সম্পদ, আবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে প্রভাবিত করেছে।

বাংলাদেশের আয়তন বাড়াতে নিয়ন্ত্রক:

ভারতের সাথে ছিটমহল বিনিময়

বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই এ সমাপ্ত হয়। ভারত-বিভাগের ৬৮ বছর এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল সমস্যার অবসান ঘটে। ১৬২টি ছিটমহলের প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ দীর্ঘ ৬৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল এবং বাংলাদেশে ১১১টি ছিটমহল ছিল। ছিটমহলের বিনিময়ে বাংলাদেশ ১৭,১৬০ একর নতুন জমি যোগ করে। ফলে বাংলাদেশের আয়তন ৪০ বর্গকিলোমিটারের একটু বেশি বেড়েছে।

ভারতের সাথে সমুদ্র জয়

৭ জুলাই, ২০১৪-এ, নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালত পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আর্বিট্রেশন (PCA) ভারতের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে। এ রায়কে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ ছিল। রায়ে বাংলাদেশ আয়তন পেয়েছে ১৯ শত ৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার।

মিয়ানমারের সাথে সমুদ্র জয়

জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক সমুদ্র আদালতের রায়ে ২০১২ সালের ১৪ মার্চ মিয়ানমারের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমুদ্র জয় লাভ করে বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে ৩৮ বছরের পুরনো বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছিল এখানে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে মোট ৮০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিরোধ ছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশ আদালতের আদেশে ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা লাভ করে।

প্রতি বছর ১৬ বর্গ কিমি বৃদ্ধি পাচ্ছে

২০১৬ সালে বাংলাদেশ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) প্রকাশিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতি বছর বাংলাদেশের আয়তন ১৬ বর্গকিমি করে বাড়ছে। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর ৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়। অন্যদিকে প্রায় ৮৫ ​​বর্গকিলোমিটার জমি পলির কারণে ভেসে উঠে।

আরও পড়ুনঃ 

নতুন দ্বীপ

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন দ্বীপের জন্ম হলেও, বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে যে গত ২০ বছরে ৫০টিরও বেশি দ্বীপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এর সম্ভাব্য এলাকা ১৬০০ বর্গ কিমি অনুমান করা হয়।

প্রতি বছরই বাংলাদেশের আয়তন বাড়ছে। মানচিত্রে নতুন অংশ যোগ করা হচ্ছে। মানচিত্র বদলে যাচ্ছে সমুদ্র জয় করে। ছিটমহল প্রায় ৮৯,৫০৭ বর্গ কিলোমিটার বেড়েছে। এছাড়াও ভূতাত্ত্বিকভাবেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তাই বাংলাদেশের আয়তন ঠিক কত বর্গকিলোমিটার তা বলার সুযোগ নেই।

আশা করি আজকের লেখাটি পড়ে আপনি অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন। বাংলাদেশের আয়তন নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। পাঠক, আপনি কি আমার মত মনে করেন নতুন খণ্ডে আমাদের শিশুদের বই অন্তর্ভুক্ত করা উচিত? তাহলে কমেন্টে আপনার মতামত জানিয়ে দিন।

বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু তথ্য

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশে অনেক পরিচিত/অপরিচিত পর্যটন-আকর্ষনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক মসজিদ ও মিনার, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকত, পাহাড়, বন ইত্যাদি। এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে বিশেষায়িত। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। হিমালয় বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থেকে অল্প দূরে অবস্থিত।

পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকা। অসংখ্য নদী বেষ্টিত বাংলাদেশ মূলত সমতল ভূমি। দেশের উল্লেখযোগ্য নদীগুলো হলো পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা ও কর্ণফুলী। বাংলাদেশ সুন্দরবনে বসবাসকারী রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেশ। লাল মাটির তৈরি মন্দিরও আছে।

দেশের উল্লেখযোগ্য পর্যটন এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে: শ্রীমঙ্গল, যেখানে মাইলের পর মাইল চা বাগান রয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে ময়নামতি, মহাস্থানগড় ও পাহাড়পুর। রাঙামাট, কাপ্তাই এবং কক্সবাজার তাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। সুন্দরবন বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল এবং বিশ্ববিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন। এক নজরে

বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম কি?

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

বাংলাদেশে সাপ্তাহিক ছুটি:

শুক্র ও শনিবার। কিছু অফিস শনিবার খোলা থাকে।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড:

+৮৮০

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল:

BST (GMT + 6 ঘন্টা)

বাংলাদেশের জনসংখ্যা

জনসংখ্যা:

১৬.১৭ কোটি (সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)

বাংলাদেশের জনসংখ্যা পুরুষ:

৮.১০ কোটি

বাংলাদেশের জনসংখ্যা মহিলা :

৮.০৭ কোটি

বাংলাদেশের শিক্ষার হার :

৬৩.৬%

বাংলাদেশের  ভাষা:

বাংলা (জাতীয় ভাষা) – জনসংখ্যার 95%
অন্যান্য ভাষা – 5%
ইংরেজির ব্যবহার প্রচলিত।

বাংলাদেশের জনগনের ধর্ম
মুসলিম – ৮৬.৬%,
হিন্দু – ১২.১%
বৌদ্ধ – ০.৬%
খ্রিস্টান – ০.৪% এবং
অন্যান্য – ০.৩%.

বয়স অনুযায়ী বন্টন:
০-১৪ বছর : ৩০.৮%
১৫-৪৯ বছর : ৫৩.৭%
৫০-৫৯ বছর : ৮.২%
৬০ বছরের ঊর্ধ্বে : ৮.১%
(সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)

বাংলাদেশে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার:
১.৩৭%
বাংলাদেশে জন্মহার:
প্রতি হাজারে ১৮.৮ জন
বাংলাদেশে মৃত্যুহার :
প্রতি হাজারে ৫.১ জন

লিঙ্গ বন্টন:
লিঙ্গ অনুপাত
(প্রতি 100 জন মহিলার জন্য পুরুষ): 100.3
প্রজনন হার:
প্রতি মহিলা 2.3 শিশু (উৎস)

জাতিগত গোষ্ঠী:
বাঙালি : ৯৮%
ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী : ২%
বাংলাদেশে প্রধান নৃ গোষ্ঠীসমূহ :
চাকমা, মারমা, মনিপুরী, ত্রিপুরা, তনচংগা, সাঁওতাল, গারো,

ভূগোল
বাংলাদেশে ভৌগোলিক অবস্থান :
২৬° ৩৮’ উত্তর অক্ষাংশ

থেকে ২০° ৩৪’ উত্তর অক্ষাংশ
এবং
৮৮° ০১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
থেকে ৯২° ৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

বাংলাদেশের আয়তন :

১৪৭,৫৭০ বর্গকিমি (ভূমি : ১৩৩,৯১০ বর্গকিমি, জলজ : ১০,০৯০ বর্গকিমি)

বাংলাদেশের সীমানা:
উত্তর ভারত (পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়)
পশ্চিম ভারত (পশ্চিমবঙ্গ)
পূর্ব ভারত (ত্রিপুরা ও আসাম) এবং মায়ানমার
দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর

বাংলাদেশে সীমানা দৈর্ঘ্য :
৪,২৪৬ কিমি. (মায়ানমার : ১৯৩ কিমি., ভারত : ৪,০৫৩ কিমি.)

সমুদ্র সীমানা :
৫৮০ কিমি.

মহীসোপান :
মহাদ্বীপীয় মার্জিন বাইরের সীমা অবধি

বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা :
২০০ নটিক্যাল মাইল

সমুদ্র এলাকা :
১২ নটিক্যাল মাইল

জমির ধরন: প্রধানত সমভূমি, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়ি ভূমি

রাজধানী: ঢাকা

Sharing Is Caring:

Leave a Comment