ফেসবুক স্ট্যাটাস । ভালোবাসার ছন্দ

ফেসবুক স্ট্যাটাস । ভালোবাসার ছন্দ

ফেসবুক স্ট্যাটাস । ভালোবাসার ছন্দ

আজকে বাংলা ভাষাভাসি সকল প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য আমাদের এই পোস্ট- ভালবাসা অনুভূতি একটি সুন্দর অনুভূতি যা কথায় সহজে প্রকাশ করা অসম্ভববেই নয় দুরসাধ্য বটে। আর তাই ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য অনেক লোক প্রেমের কবিতা এবং রোমান্টিক ভালোবার ছন্দের সন্ধান করে থাকেন। যদি আপনি তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন তবে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। কারণ এই পোস্টে আপনি রোমান্টিক প্রেমের কবিতা থেকে শুরু করে মিষ্টি প্রেমের ছন্দ ও ছড়াসহ সব ধরণের সুন্দর প্রেমের কবিতা বা লিখনি পাবেন যা আপনি অনায়াসে আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাস বা ম্যাসেনজারে ব্যবহার করতে পারবেন।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য, ফেসবুক স্ট্যাটাস ফেসবুকের একটি বড় অংশ। আপনি যদি আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বেশি বেশি লাইক কমেন্ট ও শেয়ার  পেতে চান তবে আপনাকে এমন পোস্ট করতে হবে যা দেখেতে বা পড়ে মানুষের ভালো গালে তাই আমরা আজ এই ফেসবুক স্ট্যাটাস ও এসএমএস ভালোবাসার ছন্দ পোস্টটি এমন সাজিয়েছি যা দেখে সবার ভালো লাগবে ।  আর একটা বিষয় হলো ফেসবুক যে  যত বেশি সুন্দরভাবে তার ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখতে পারবেন সে তত ফেসবুকে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠে ।

ফেসবুক স্ট্যাটাস ও এসএমএস ভালোবাসার ছন্দ

“দূরে গেলে তুমি,
হারিয়ে যাবাে আমি।
ভালােবাসি তােমায়,
বােঝনা কেন তুমি।
ছােট্ট এই জীবনে,
একটাই শুধু চাওয়া।
তােমাকে আপন করে,
আমার শুধু পাওয়া।”

 

“দিন ফুরাবে রাত ফুরাবে,
ফুরাবে ফুলের প্রান,
সমায় ফুরাবে, জীবন ফুরাবে,
ফুরিয়ে যাবে জান,
But তোমার জন্য ফুরাবে না,
আমার ভালোবাসার টান।
I LOVE YOU”

“ডালটি হলো সবুজ,
ফুলটি হলো লাল,
তোমার আমার ভালোবাসা
থাকবে চিরকাল।”

“আমি হলাম সাগর
তুমি হলে ঢেউ,
চুপি চুপি প্রেম করবো
জানবে নাতো কেউ।”

ফেসবুক স্ট্যাটাস বাংলা

“ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন,
তুমি আসলে দুজন মিলে
সাজাবো জীবন।
চোখ ভরা স্বপ্ন বুক ভরা আশা
তুমি আসলেই ডাউনলোডে দিবো

“রাতের আকাশে অনেক তারা।
একলা লাগে তােমাকে ছাড়া।
শুধু ভাবি তােমার কথা।
কেমন আছাে আমাকে ছাড়া ?”

“পাখির ঠোঁটে চিঠি দিলাম,
তুমি খুলে পড়ো।
স্বপ্ন দেখে ভয় পেলে
হাতটা চেপে ধরো।
রাত জাগা পাখির মত
জেগে আছি আমি,
মনটা আমার জানতে চায়
কেমন আছো তুমি ?”

স্কুল লাইফে তোমায় দেখি
কলেজ লাইফে প্রেম,
হাতের মাঝে উল্কি এঁকে
লিখেছি তোমার Name..

ফেসবুক স্ট্যাটাস রোমান্টিক প্রেমের কবিতা

আজ ছন্দ মহলে
মিলছে দুটি মন,
মনে মনে বলবে ওরা
কথা যে সারাক্ষন,
কথার মাঝে থাকবে
গভীর ভালোবাসা,
ভালোবাসার মাঝে থাকবে
দুটি মনের বেকুলতা

শুধু তুমি আছো তাই,
আমি কথা খুঁজে পাই,
দূর হতে আমি তাই,
তোমায় দেখে যাই
তুমি একটু হাসো তাই,
আমি চাঁদের মিষ্টি আলো পাই

আমার স্বপ্ন জলধারায় তুমি,
রিমঝিম সুরে ঝরা বৃষ্টি
আমার হৃদয় canvus জুড়ে,
তুমি ঈশ্বরের অপূর্ব সৃষ্টি

তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন,
আমার চাঁদের আলো,
তুমি আমার নদীর মাঝে
একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালবাসার
শিউলি বকুল ফুল…

“ভালবাসা সপ্ন নীল
আকাশের মত সত্য,
শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র!!
কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত,
বাস্তবতার কাছে অবহেলিত।”

“তুমি যদি না বুঝো
বুঝবে আমায় কে।
তুমি যদি পর ভাবাে
আপন ভাববে কে।
তুমি যদি কষ্ট দাও
সুখ দিবে কে।
তুমি যদি ভুলে যাও
মনে রাখবে কে …!”

“SMS হয়ে থাকবাে আমি
তােমার হৃদয় জুড়ে,
রিংটোন হয়ে বাজবাে আমি
মিষ্টি মধুর সুরে,
কখনাে ভেবােনা আমি
তােমার থেকে দুরে,
বন্ধু হয়ে আছি আমি
তােমার নয়ন জুড়ে।”

“মুখ দিয়ে নয় হৃদয় দিয়ে…
ভালোবাসি বলতে চাই!
নৈঃশব্দের কোলাহলে..
শব্দ নিয়ে খেলতে চাই!”

“নীল আকাশে তারার মেলা।
মধ্য রাতে চাঁদের খেলা।
স্নিগ্ধ সকাল শিশির ভেজা।
শুধু দেখো,
আমার প্রেমে কত মজা!!”

“ভালােবাসি ভালােবাসি,
সবাই বলতে পারে।
সত্যি কারের ভালােবাসা,
কজন দিতে পারে৷”

সূখের জন্য স্বপ্ন,
দুখের জন্য হাঁসি,
দিনের জন্য আলো,
চাঁদের জন্য নিশি,
মনের জন্য আশা,
তোমার জন্য রহিল
আমার অন্তরের ভালোবাসা।

তোমার ভালবাসা মন
খোঁজে সারাক্ষণ,
মনের আশা পূরণ করতে
তোমায় প্রয়োজন,
শূন্য মনে লুকিয়ে আছে
অনেক গুলো আশা,
তার মধ্যে অন্যতম
তোমার ভালবাসা।

ভুলিনিত আমি
তোমার মুখের হাসি,
আমার গাওয়া গানে
তোমাকে ভালবাসি।
আসো আবার পাশে,
হাতটা ধরে চলো আবার
সেই নদী তীরে।

হৃদয় কেটে বানিয়েছি
ছোট্টো একটি খাম,
সে খামেরী ভেতরে লিখেছি
তোমার নাম,
সে খামটি কিনে নিও
ভালোবাসার দামে,
কোনদিনও ছিড়ে ফেলনা
নিরব অভিমানে!!

একটু দূরে সরলেই তুমি
মেজাজটা যায় চড়ে,
ইচ্ছে করে এই পৃথিবী
ভষ্ম করি পুড়ে।
আমার কাছে তুচ্ছ সবই
কেবল তুমি ছাড়া,
তোমার জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও
করতে পারি তাড়া।

প্রখর রোদে ঘামছি আমি
ভাবছি এ যে বৃষ্টি,
মন্দের মাঝেও ভালো থাকি
পেলে তোমার দৃষ্টি।
তোমায় ছাড়া শূন্য ভূবন
মহাকাশের মতো,
নেই পাশেও তবু তোমায়
ভাবছি অবিরত।

“মনেতে আকাশ হয়ে
রয়েছো ছড়িয়ে,
বলোনা কোথায় রাখি
তোমায় লুকিয়ে।
থাকি যে বিভোর হয়ে
শয়নে স্বপনে।
যেও না হৃদয় থেকে
দূরে হারিয়ে,
আমি যে ভালবাসি
শুধু-ই তোমাকে।”

“সারাক্ষন ভাল থেকো,
ভালবাসা মনে রেখো।
দিনের বেলা হাঁসি মুখে,
রাতের বেলা অনেক সুখে।
নানা রঙের স্বপ্ন দেখো,
স্বপ্নের মাঝে আমায় রেখো।”

“খুঁজিনি কারো মন,
তোমার মন পাব বলে।
ধরিনি কারো হাত,
তোমার হাত ধরবো বলে।
হাঁটিনি কারো সাথে,
তোমার সাথে হাঁটবো বলে।
কাউকে বাসিনি ভালো,
তোমাকে ভালবাসি বলে।”

“লাগবে যখন খুব একা,
চাঁদ হয়ে দিবো দেখা…
মনটা যখন থাকবে খারাপ,
স্বপ্নে গিয়ে করবো আলাপ…
কষ্ট যখন মন আকাশে,
তাঁরা হয়ে জ্বলবো পাশে..!!”

“একটা আকাশ হেরে গেলো,
হারিয়ে তার মন..
অন্য আকাশ হটাৎ হল
চাঁদের প্রিয়জন..
তবুও তার ভালবাসা
চাঁদের ভালো চায়,
নতুন আকাশ চাঁদকে
যেন সুখের ছোঁয়া দেয়..!!”

“চোখে আছে কাজল
কানে আছে দুল,
ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,
মুখে মিষ্টি হাঁসি,
এমন একজন মেয়েকে
সত্যি আমি ভালোবাসি।”

“সবার থেকে ছােটোশব্দটা হলাে
‘আমি’!
সবার থেকে মিষ্টিশব্দটা হলাে
‘ভালােবাসা’!
এবং আমার প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে
যাকে আমি কখনাে ভুলতে
পারবাে না, সেইজন হলে
‘তুমি’।”

মন যদি আকাশ হত তুমি
হতে চাঁদ।
ভালোবেসে যেতাম শুধু
হাতে রেখে হাত।
সুখ যদি হৃদয়ে হত,
তুমি হতে খুসি।
হৃদয়ের দুয়ার খুলে দিয়ে
বলতাম তোমায় ভালোবাসি।

স্বপ্ন দিয়ে আঁকব আমি
সুখের আল্পনা।
হৃদয় দিয়ে খুঁজব আমি
মনের ঠিকানা।
ছায়ার মত থাকব আমি
শুধু তারি পাশে।
যে আমাকে নিজের থেকেও
বেশি ভালবাসে।

মিষ্টি প্রেমের সাইরি
তুমি আমার ভালবাসা,
আমি তোমার জান।
ভালবাসার ফুল দিয়ে,
লিখবো তোমার নাম।
তুমি আমার ময়না পাখি,
আমি তোমার টিয়া।
তোমায় আমি রাখবো বুকে,
ভালবাসা দিয়া।

Read more

কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২

কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২

আজকের আর্টিকেলে যে বিষয়ে কথা বলতে যাচ্ছি তা আপনি শিরোনাম দেখেই বুঝতে পেরেছেন তারপরও বলি আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে ফেসবুক আইডি ফিরে পাব ২০২২ এ বিষয়ে ফেশবুকের সাথে একটু পরিচিত হওয়া যাক আসুন শুরুতে ফেশবুকের ইতিহাস জানি। এটা জানা জরুরী কারন এ বিষয় গুলো সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান রাখতে হয়। এগুলো এখন বিভিন্ন চাকুরীর মৌখিক পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয় যাক সেদিকে না জাই সেটি ভিন্ন আলোজনা আচকের আলোচনায় ফেরা যাক।

ফেসবুক কী?

এমন প্রশ্ন আগে দেখা গেলেও এখন দেখা যায় না। তারপরও বলি ফেসবুক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া শুধ কি এটি তো বাংলাদেশেও সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। খুব কম মানুষ পাওয়া যাবে যাদের ফেশবুক একাউন্ট নাই। তাই আমি মনে করি ফেশবুক সম্পর্কে বলার কিছু নাই।

যে কেউ ফেসবুকে ফ্রি অ্যাকাউন্ট বা আইডি খুলতে পারবেন। আপনার বন্ধু, পরিবার এবং আত্মীয়দের সাথে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। চ্যাট, স্ট্যাটাস, ভয়েস কল, ভিডিও কলের ইত্যাদি জন্য ফেসবুকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের যোগাযোগ করতে, বার্তা প্রেরণ করতে এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্য আপডেট এবং আদান প্রদান করতে তাদের শহর, কর্মক্ষেত্র, স্কুল এবং অঞ্চল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বা গ্রুপ তৈরী করে সবাই মিলে এক সাথে যুক্ত হচ্ছে।

ফেসবুক কোন দেশের সংস্থা

ফেসবুক তৈরির ইতিহাস

ফেসবুক একটি আমেরিকান সংস্থা। যদিও এটি প্রাথমিকভাবে কোনও সংস্থা হিসাবে চালু করা হয়নি। পরে ধিরে ধিরে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ফেসবুক আবিষ্কার হয় কত সালে ?

ফেসবুকের আবিষ্কার হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মার্ক জুকারবার্গ নামের একজন ব্যক্তি আবিষ্কার করেন। ২০০৪ সালে, তিনি ফেসমাস দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আর ফেসবুক প্রতিষ্ঠার কথা ভাবুন। ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি এবং তার বন্ধুরা এই ঐতিহাসিক কাজটি করে ফেলেন।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা কে ? / ফেসবুকের জনক কে ?

মার্ক জুকারবার্গ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যদিও তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তবে এর বর্তমান মালিক ফেসবুক ইনক। মার্ক জাকারবার্গ তার রুমমেট কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী এদুয়ার্দো সেভেরিন, ডাস্টিন মোসকোভিটিজ এবং ক্রিস হিউজের যৌথ প্রয়াসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফেসবুক তৈরি করেছিলেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষের পড়ার সময়, জুকারবার্গ ২৮/০৮/২০০৩ এ ফেসম্যাস নামে একটি সাইট তৈরি করেছিলেন। এটি মুলত ফেসবুকের পূর্বসূরী সাইট।

তিনি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ফেসবুক ডটকমের জন্য কোড লেখা শুরু করেছিলেন। শিগগিরই মার্ক জুকারবার্গের সাথে ডাস্টিন মোসকোভিটস (প্রোগ্রামার), ক্রিস হিউজেস এবং এডুয়ার্ডো সাভারিন (এছাড়াও ব্যবসায়িক মুখপাত্র) এবং অ্যান্ড্রু ম্যাককালাম (গ্রাফিক শিল্পী) যোগ দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনপছন্দের বাংলা অডিও গান ডাউনলোড
আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম ২৫৪ টি
ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড

ফেসবুক নাম করণ

প্রতিষ্ঠার সময় ফেসবুকের ওয়েব লিঙ্কটি ছিল thefacebook . com। এটি ধীরে ধীরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ২০০৪ এর ডিসেম্বরে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ মিলিয়নে (১০ লক্ষ) পৌঁছেছিল।

ফেসবুকের নতুন নামকরণ করা হয়েছিল ২০০৫ সালে এ সময়েই বর্তমান নাম “ফেসবুক” দেওয়া হয়েছিল। 2005 সালের ডিসেম্বরে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। আর ২০০৫ অবধি এর ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন শুধু মাত্র সংস্থার কর্মী ছিলেন। তবে সেপ্টেম্বর ২০০৬ এ এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। তারপরে 3 মাসর মধ্যে ব্যবহারকারী ১ কোটি ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।

 

ফেসবুকের স্রষ্টা কে?

ফেসবুকের পিতা বা স্রষ্টা হলেন মার্ক জুকারবার্গ। তবে তিনি একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা নন। তাঁর পাশাপাশি তাঁর কয়েকজন বন্ধু এবং রুমমেটও ফেসবুক তৈরির পেছনে কাজ করেছিলেন।

আশার করি ফেশবুক বিষয়ে মোটামটি ধারনা পেয়ে গেছেন এবার চলুন যাওয়া যাক আজকের পোষ্টের মূল আলোচনায়

Read more